Skip to main content

******বাগদাদ শহরের এক মসজিদের ইমামের*********

বাগদাদ শহরের এক মসজিদের
ইমামের
স্ত্রী ছিল অত্যন্ত সুন্দরী ,
রূপসী এবং সুনয়না ।
স্থানীয় এক মাস্তান যুবক হঠাত্
একদিন ইমাম সাহেবের
স্ত্রী কে দেখে তার প্রতি ভীষণ
আসক্ত হয়ে পড়ে এবং এরপর
রীতিমত
তাকে বিরক্ত করতে থাকে একদিন
ইমাম সাহেবের বাড়িতে প্রবেশ
করে যুবক বলল , হে সুন্দরী মহিলা,
আমি ইতিমধ্যে তোমার প্রতি খুবই
দুর্বল হয়ে পড়েছি । তাই আমার
কামনা চরিতার্থ করার জন্য
প্রস্তাব দিচ্ছি ।
তুমি কি আমার
প্রস্তাবে রাজি ? মাস্তান যুবকের
প্রস্তাব শুনে মহিলা ভয়ে আড়ষ্ট
হয়ে গেলেন । রাতে ইমাম সাহেব
ঘরে ফিরলে তিনি তার কাছে যুবকের
কথা বর্ণনা করলেন । ইমাম সাহেব
বললেন, তুমি রাজি হয়ে যাও
তবে একটা শর্তে : শর্তটা হল
"যদি যুবক একটানা চল্লিশ দিন
প্রথম
তাকবীরের সহিত জামাতের
সাথে আমার মসজিদে সালাত আদায়
করতে পারে তবেই তুমি রাজি হবে" ।
পরের দিন যুবক
এসে মহিলাকে জিজ্ঞেস করল, আমার
প্রস্তাবের ব্যাপারে তোমার মত
কি ? মহিলা বললেন একটি শর্ত
আছে-
যদি তুমি শর্ত পূরণ করতে পার
তবে আমি রাজি । তখন যুবক বলল
কি শর্ত ? মহিলা বলল
শর্তটি হচ্ছে 'বিরতি না দিয়ে একটানা চল্লিশ
দিন প্রথম তাকবীরের সহিত
জামাতে সালাত আদায় করতে হবে' ।
যুবক বলল এটা তো সহজ শর্ত এর
চেয়ে কঠিন শর্ত দিলেও
আমি রাজি হতাম । যুবক পরদিন ওযু
করে সুন্দর পোশাক পড়ে সালাত
আদায় করতে আসলো ।
ইমাম সাহেব
সালাতের পর মুনাজাত করে বললেন ,
" হে আল্লাহ এক
পথহারা যুবকে তোমার
দরবারে এনেছি, এখন পথ প্রদর্শনের
মালিক তুমি "।
যুবক শর্ত মোতাবেক জামাতের
সাথে সালাত আদায় করে যাচ্ছে ,
ফজরের পর জোহরের জন্য
অপেক্ষা করে , জোহরের পর আছর ,
এরপর মাগরিব ,এরপর এশা । কোন
বিরতি নেই ।
অতঃপর এভাবে যেদিন
একটানা চল্লিশ দিন পার হলো সেদিন
যুবক ইমাম সাহেব কে জড়িয়ে হু হু
করে কেঁদে ওঠলো এবং বলল ;
আমাকে ক্ষমা করে দিন ।
আমি অন্ধকারে ছিলাম আল্লাহপাক
আমাকে আলোর পথ দান করেছেন,
আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দান
করেছেন । আমার ভুল
হয়ে গেছে আমাকে মাফ করে দিন ।
তখন ইমাম সাহেব
যুবককে সাথে নিয়ে আল্লাহর
কাছে হাত তুলে দোয়া করলেন ,
" হে আমাদের পালনকর্তা , সরল পথ
প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের
অন্তরকে আর কঠিন করে দিও না ।
এবং তুমি আমাদের করুনা দান কর ,
তুমিই মহাদাতা অসীম করুনার আধাঁর

সূরা আল ইমরান , আয়াত ৮" ।
¤ "যথাযথ ভাবে সালাত আদায় কর,
নিশ্চয় সালাত অশ্লীল ও খারাপ
কাজ থেকে বিরত রাখে । আল্লাহর
স্মরনই সর্বশেষ্ঠ । তোমরা যা কর
তা আল্লাহ অবগত । সূরা আনকাবুত
আয়াত ৪৫"---

Comments

Popular posts from this blog

RM, SM, SE, RE দ্বারা ক্যাবলের কি বুঝানো হয়ে থাকে?

এস,এম,রফিক ঃ অনেকেই আমরা বলে থাকি আর এম এর মান কিভাবে বের করবো তারের সাইজ নির্ণয় করার জন্য। সত্যিকার অর্থে এটা কোন সঠিক নিয়ম নয় যদিও অনেক ফর্মুলা আছে। তারের সাইজ নির্ণয় নির্ভর করে ভোল্টেজ ড্রপ, দূরত্ব, লোড ইত্যাদির উপর যা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। অনেকে ক্ষেত্রে ক্যাবলে rm, sm, se, re থাকে। এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বুঝানো হয়। তারের সাইজ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে প্রথমে আমাদেরকে এগুলো জেনে রাখতে হবে। নিচের চিত্র দেখলে আশা করছি ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ওয়াট কি, কিভাবে নির্ণয় করে?ওয়াট কিভাবে মাপে?

এস,এম,রফিক ঃ ওয়াট (Watt):  সহজ ভাবে বললে ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট। আমরা জানি যে কোন যন্ত্র তা ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক কিংবা ম্যাকানিকাল হোক না কেন চলবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তেমনি ভাবে কোন যন্ত্র/লোড নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ করে কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে সে হিসাব কেই ওয়াট বলে। ওয়াট কিভাবে নির্ণয় করে? ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী DC এর ক্ষেত্রে- P = V×I = I 2 ×R = V 2 ÷R অর্থাৎ, P = V×I  অথবা P = I×R  অথবা P = V 2 /R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী AC এর ক্ষেত্রে- P = V×I×P.F = I 2 ×R×P.F = (V 2 ×P.F)÷R অর্থাৎ, P = V×I×P.F   অথবা P = I 2 ×R×P.F   অথবা P = (V 2 ×P.F)÷R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে, P  =  Power  যার একক হলো  Watt   I  =  Current  যার একক হলো  Ampere V  =  Voltage  যার একক হলো  Volt R  =  Resistance  যার একক হলো  Ohm...

ফিরে তাকাতে নেই

......শুধু পিছুটানেই পেছনে ফিরে তাকাতে নেই ........এতে করে অতিতের মায়াজাল সামনে এসে ভীর জমাবেই.......মায়া জড়ানো অতিতকে অনুধাবন করতে হয় গভির শুকাবহ নিরবতা দিয়ে৷  ..............   এস,এম, রফিক;----------