Skip to main content

ইনভার্টার সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা ও কিছু কথা


ইনভার্টার সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা ও কিছু কথা


ইনভার্টার বিষয়ে নিয়ে লেখার জন্য আমাদের কাছে অনেক বন্ধু অনুরোধ করেছেন। বর্তমান সময়ে Inverter একটি বহুল প্রচলিত ডিভাইস যা যে কোন ধরনের মেশিন এ ইন্ডাকশন মোটর স্পীড কন্ট্রোল করতে কাজে লাগে।

আজা আমরা Inverter বিষয়ে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থিত করতে যাচ্ছি। আশা করছি ভালো কিছু নতুন তথ্য তুলে ধরতে পারবো। তাহলে চলুন দেখি কি কি বিষয় থাকছে আজকের লেখাতে।

ইনভার্টার কি বা কাকে বলে?
ইনভার্টার কত প্রকার ও কি কি?
ইনভার্টার সংক্ষিপ্ত কার্যপ্রনালী।
ইনভার্টার সার্কিটের আউটপুট।
ইনভার্টার ব্যাটারি
ইনভার্টার কোথায় কোথায় ব্যবহার করা হয়?
ইনভার্টার বিভিন্ন ব্র্যান্ড
ইনভার্টার কি বা কাকে বলে?

ইভার্টার এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যা ডাইরেক্ট কারেন্ট(ডিসি) কে অল্টারনেটিং কারেন্টে(এসি) তে রূপান্তরিত করে। Inverter ব্যবহিত হয় ডিসি সোর্স থেকে এসি পাওয়ার সাপ্লাই দেবার জন্য যেমন সোলার প্যানেল বা বৈদ্যুতিক ব্যাটারী।

ইলেকট্রিক্যাল Inverter মূলত উচ্চ ক্ষমতার ইলেকট্রনিক অসিলেটর। Inverter সাধারণত রেক্টিফায়ারের বিপরীতে কাজ সম্পাদন করে থাকে। Inverter সাধারণত ফ্রিকুয়েন্সি এবং ভোল্টেজ কে পরিবর্তন করতে পারে।

ইনভার্টার কত প্রকার ও কি কি?

ইনভার্টারের নিম্মলিখিত আউটপুট পাওয়া যায়।





স্কোয়ার ওয়েব inverter
মডিফায়াইড সাইন ওয়েব inverter
পিউর সাইন ওয়েব inverter
ইনভার্টার সংক্ষিপ্ত কার্যপ্রনালী

পরবর্তী লেখাতে inverter সার্কিট কিভাবে তৈরি করবেন এবং কিভাবে inverter সার্কিট কাজ করে থাকে তা আলোচনা করা হবে

ইনভার্টার সার্কিটের আউটপুট

Inverter সাধারণত স্কোয়ার ওয়েব, মডিফিটেড সাইন ওয়েব, পালস সাইন ওয়েব, পালস ওয়াইডথ মডুলেশন তৈরি করতে পারে।

স্কোয়ার ওয়েবঃ এটা অনেক সহজতম ওয়েবফর্ম যা Inverter তৈরি করতে পারে। এটা কম সংবেদনশীলতা এপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত যেমন লাইটনিং এবং হিটিং। স্কোয়ার ওয়েব আউটপুট ফর্ম যখন অডিও যন্ত্রপাতির সাথে সংযুক্ত করা হয় তখন তা গুন গুন শব্দ করে থাকে এবং যেটা সত্যি অনুপুযুক্ত সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক্স এর জন্য।
সাইন ওয়েবঃ Inverter সার্কিট মূলত সাইন ওয়েব ও তৈরি করতে পারে। সাইন ওয়েব আউটপুট টাইপের Inverter তৈরি করতে অনেক খরচ হয়ে থাকে।
আউটপুট ফ্রিকুয়েন্সিঃ ইনভার্টারারের আউটপুট ফ্রিকুয়েন্সি সাধারণ এসি সাপ্লাই ফ্রিকুয়েন্সির মতই ৫০ অথবা ৬০ হার্টজ।
আউটপুট ভোল্টেজঃ এর আউটপুট ভোল্টেজ মূলত অনেকটাই গ্রীড লাইন ভোল্টেজের মতই হয়ে থাকে। যেমনঃ ১২০ অথবা ২৪০ VAC ডিস্ট্রিবিউশন লেভেল।
ইনভার্টার ব্যাটারি

Inverter কত সময় চলবে তা নির্ভর করবে ব্যাটারি পাওয়ারের উপর। যত বেশি পরিমান Inverter ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করা হবে ব্যাটারি পাওয়ার তত তারাতারি কমে যাবে। প্রয়োজনে বেশি ব্যাটারি যুক্ত করা যেতে পারে।

ইনভার্টার কোথায় কোথায় ব্যবহার করা হয়?



Inverter মূলত অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে আমাদের দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোটর কন্ট্রোলিং এর কাজে Inverter ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

একটি উদাহরন দিলে বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাদের দেশে পাওয়ার সাপ্লাই ৫০ হার্টজ এ মোটরের স্পীড ও ফিক্সড থাকে বলা যায়। সুতারাং মোটর ৫০ হার্টজ এ ফিক্সড স্পীডে ঘুরবে।

এখন যদি আমরা মোটরের স্পীড কমাতে বা বাড়াতে চায় তাহলে আমাদের Inverter প্রয়োজন পড়বে।

ডিসি পাওয়ার সোর্স হিসেবে ব্যবহারঃ Inverter মূলত ডিসি পাওয়ার(ব্যাটারি সোর্স, জ্বালানি কোষ, সোলার প্যানেল ) ইত্যাদি থেকে এসি ইলেক্ট্রিসিটিতে রুপান্তর করতে পারে।

ইউপিএস পাওয়ার সাপ্লাইয়ের জন্যঃ আন ইন্টারাপ্টেড পাওয়ার সাপ্লাই এ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় পাওয়ার স্টোরেজ এর জন্য এবং Inverter এর মাধ্যমে তা এসি পাওয়ার প্রেরন করে থাকে যখন প্রধান পাওয়ার(ইলেক্টিসিটি) থাকে না।

যখন মেইন পাওয়ার চলে আসে তখন রেক্টিফায়ার ব্যাটারিতে ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই করে থাকে ব্যাটারি রিচার্জ করার জন্য।

ইলেকট্রিক মোটর স্পীড কন্ট্রোলঃ  Inverter বা ভিএফডি বা ড্রাইভ মূলত ব্যাবহার করা হয় লোডের স্পিড বা গতিকে কন্ট্রোল করার জন্য। ধরুন আপনার একটি কনভেয়ার বেল্ট আছে। যাকে আপনার মাঝে মাঝে 10 minute এ ঘুরাতে হবে।আবার মাঝে মাঝে 5 minute ঘুরাতে হবে।

তাহলে আপনি এই বেল্টের স্পিড কিভাবে কন্ট্রোল করবেন? অবশ্যই ঘুরানোর জন্য যে মোটর আছে তার স্পিড কন্ট্রোল করবেন। আর এর স্পিড কন্ট্রোল করার জন্য আপনাকে Inverter / ভিএফডি / ড্রাইভ ব্যাবহার করতে হবে। Inverter/ ভিএফডি/ ড্রাইভ দিয়ে মোটরের লোড নেওয়ার ক্ষমতাকে কমবেশী করা যায়।

ধরুন আপনার মোটরটি সর্বোচ্চ Weight 10kg উঠাতে পারবে। এখন আপনার প্রয়োজন ৫ কেজির বেশী হলে আপনার ওই মোটর ওভার লোড হয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।এটা কিভাবে করবেন? Its simple, Inverter থেকে Program করে টর্ক ক্যাপাসিটি কমিয়ে দিন।

Inverter ব্যাবহার করার ফলে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনার মোটরকে বা লোডকে যখন খুশি বা যেভাবে খুশি নিয়ন্ত

Comments

Popular posts from this blog

RM, SM, SE, RE দ্বারা ক্যাবলের কি বুঝানো হয়ে থাকে?

এস,এম,রফিক ঃ অনেকেই আমরা বলে থাকি আর এম এর মান কিভাবে বের করবো তারের সাইজ নির্ণয় করার জন্য। সত্যিকার অর্থে এটা কোন সঠিক নিয়ম নয় যদিও অনেক ফর্মুলা আছে। তারের সাইজ নির্ণয় নির্ভর করে ভোল্টেজ ড্রপ, দূরত্ব, লোড ইত্যাদির উপর যা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। অনেকে ক্ষেত্রে ক্যাবলে rm, sm, se, re থাকে। এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বুঝানো হয়। তারের সাইজ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে প্রথমে আমাদেরকে এগুলো জেনে রাখতে হবে। নিচের চিত্র দেখলে আশা করছি ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ওয়াট কি, কিভাবে নির্ণয় করে?ওয়াট কিভাবে মাপে?

এস,এম,রফিক ঃ ওয়াট (Watt):  সহজ ভাবে বললে ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট। আমরা জানি যে কোন যন্ত্র তা ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক কিংবা ম্যাকানিকাল হোক না কেন চলবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তেমনি ভাবে কোন যন্ত্র/লোড নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ করে কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে সে হিসাব কেই ওয়াট বলে। ওয়াট কিভাবে নির্ণয় করে? ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী DC এর ক্ষেত্রে- P = V×I = I 2 ×R = V 2 ÷R অর্থাৎ, P = V×I  অথবা P = I×R  অথবা P = V 2 /R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী AC এর ক্ষেত্রে- P = V×I×P.F = I 2 ×R×P.F = (V 2 ×P.F)÷R অর্থাৎ, P = V×I×P.F   অথবা P = I 2 ×R×P.F   অথবা P = (V 2 ×P.F)÷R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে, P  =  Power  যার একক হলো  Watt   I  =  Current  যার একক হলো  Ampere V  =  Voltage  যার একক হলো  Volt R  =  Resistance  যার একক হলো  Ohm...

ফিরে তাকাতে নেই

......শুধু পিছুটানেই পেছনে ফিরে তাকাতে নেই ........এতে করে অতিতের মায়াজাল সামনে এসে ভীর জমাবেই.......মায়া জড়ানো অতিতকে অনুধাবন করতে হয় গভির শুকাবহ নিরবতা দিয়ে৷  ..............   এস,এম, রফিক;----------