Skip to main content

ট্রান্সফরমার কি ? বিস্তারিত।


ট্রান্সফরমার এমন একটি বৈদ্যুতিক স্থির ডিভাইস যার সাহায্যে পাওয়ার ও ফ্রিকুয়েন্সী পরিবর্তন না করে কোন প্রকার বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়া শুধু মাত্র চুম্বকীয় ভাবে সংযুক্ত দুইটি কয়েলে প্রয়োজন অনুযায়ী ভোল্টেজ কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক সার্কিট হতে অন্য সার্কিটে পাওয়ার স্থানান্তরিত করা হয় তাই ট্রান্সফরমার।
ট্রান্সফরমার তিন প্রকার যথা-
১। কোর টাইপ
২। শেল টাইপ
৩। স্পাইরাল কোর টাইপ
কার্যপ্রণালীর উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমারকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
৩। ওয়ান টু ওয়ান ট্রান্সফরমার
প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১। পাওয়ার ট্রান্সফরমার
২। ডিষ্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার
৩। অটো ট্রান্সফরমার
৪। ইনস্টুমেন্ট ট্রান্সফরমার
ইনস্টুমেন্ট ট্রান্সফরমার দুই প্রকার-
১। কারেন্ট ট্রান্সফরমার
২। পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার
স্থাপন প্রনালীর উপর ভিত্তি করে ট্রান্সফরমারকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১। ইনডোর টাইপ ট্রান্সফরমার
২। আউটডোর টাইপ ট্রান্সফরমার
৩। পোল মাউন্টেড ট্রান্সফরমার
ফ্রিকোয়েন্সী অনুযায়ী দুই প্রাকার-
১। অডিও ফ্রিকোয়েন্সী ট্রান্সফরমার
২। রেড়িও ফ্রিকোয়েন্সী ট্রান্সফরমার
২। ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস ?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমার একটি ইলেকট্রিক্যাল স্ট্যাটিক ডিভাইস।
৩। বুখলজ রিলে কোথায় থাকে ?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের ট্যাঙ্ক ও কনজারভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে লাগানো থাকে।
৪। ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলতে কি বুঝায় ?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী পার্শ্বের উৎপন্ন ভোল্টেজ এবং কারন্ট, ওয়াল্ডিং এর পাক সংখ্যার সাথে যা নির্দিষ্ট অনুপাত মেনে চলে তাকে ট্রান্সফরমেশন রেশিও বলে।
৫। ট্রান্সফরমার লস দুই প্রাকার-
কোর লস
কাপার লস
৬। কোর লস আবার দুই প্রকার-
এডি কারেন্ট লস
হিসটেরিসিস লস
৭। তিন ফেজ ট্রান্সফরমারের সংযোগের বিভিন্ন পদ্ধতি গুলো হল-
ষ্টার- ষ্টার
ডেল্টা- ডেল্টা
ডেল্টা- ষ্টার
ষ্টার- ডেল্টা

Comments

Popular posts from this blog

RM, SM, SE, RE দ্বারা ক্যাবলের কি বুঝানো হয়ে থাকে?

এস,এম,রফিক ঃ অনেকেই আমরা বলে থাকি আর এম এর মান কিভাবে বের করবো তারের সাইজ নির্ণয় করার জন্য। সত্যিকার অর্থে এটা কোন সঠিক নিয়ম নয় যদিও অনেক ফর্মুলা আছে। তারের সাইজ নির্ণয় নির্ভর করে ভোল্টেজ ড্রপ, দূরত্ব, লোড ইত্যাদির উপর যা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। অনেকে ক্ষেত্রে ক্যাবলে rm, sm, se, re থাকে। এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বুঝানো হয়। তারের সাইজ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে প্রথমে আমাদেরকে এগুলো জেনে রাখতে হবে। নিচের চিত্র দেখলে আশা করছি ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ওয়াট কি, কিভাবে নির্ণয় করে?ওয়াট কিভাবে মাপে?

এস,এম,রফিক ঃ ওয়াট (Watt):  সহজ ভাবে বললে ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট। আমরা জানি যে কোন যন্ত্র তা ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক কিংবা ম্যাকানিকাল হোক না কেন চলবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তেমনি ভাবে কোন যন্ত্র/লোড নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ করে কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে সে হিসাব কেই ওয়াট বলে। ওয়াট কিভাবে নির্ণয় করে? ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী DC এর ক্ষেত্রে- P = V×I = I 2 ×R = V 2 ÷R অর্থাৎ, P = V×I  অথবা P = I×R  অথবা P = V 2 /R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী AC এর ক্ষেত্রে- P = V×I×P.F = I 2 ×R×P.F = (V 2 ×P.F)÷R অর্থাৎ, P = V×I×P.F   অথবা P = I 2 ×R×P.F   অথবা P = (V 2 ×P.F)÷R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে, P  =  Power  যার একক হলো  Watt   I  =  Current  যার একক হলো  Ampere V  =  Voltage  যার একক হলো  Volt R  =  Resistance  যার একক হলো  Ohm...

ফিরে তাকাতে নেই

......শুধু পিছুটানেই পেছনে ফিরে তাকাতে নেই ........এতে করে অতিতের মায়াজাল সামনে এসে ভীর জমাবেই.......মায়া জড়ানো অতিতকে অনুধাবন করতে হয় গভির শুকাবহ নিরবতা দিয়ে৷  ..............   এস,এম, রফিক;----------