Skip to main content

রাসুল (সা.) সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন কেন?

মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। এমনকি তিনি তার নাস্তার এই মেনু কখনো পরিবর্তন করেননি। নবীর (সা.) সাহাবারা নবীর (সা.) কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কেন প্রতিদিন সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করেন?

তিনি বলেছিলেন, সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করা মস্তিষ্কের জন্য ভালো। এরপরে সাহাবিরাও সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন।কয়েক বছর আগে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন, কেন নবী (সা.) সাতটি খেজুর ও এক দুধ দিয়ে নাস্তা করেছেন। 
তারা গবেষণার ফলাফল হিসেবে যেটা পেয়েছেন সেটা হচ্ছে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করলে মানুষের শরীরের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এনজাইমগুলো দ্রুত কাজ করা শুরু করে। এতে করে মানুষের শরীর খালো থাকে।

বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় আরো পেয়েছে যে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও এক কাপ দুধ নিয়ে নাস্তা করলে মানুষের মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়। লিভার ভালো থাকে। ত্বক সুন্দর হয়।আমাদের নবীর (সা.) প্রতিটি সুন্নত মানার মাঝেই যে কল্যাণ বিজ্ঞানীদের এই একটি বিষয়ের উপর গবেষণা থেকেই বোঝা যায়। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আমাদের নবী (সা.) যেভাবে নাস্তা করেছেন সেই ভাবে নাস্তা করার মাঝে বিজ্ঞানীরা কল্যাণ খুঁজে পেয়েছে।
অথচ আমাদের নবী বিজ্ঞানীও ছিলেন না আবার ডাক্তারও ছিলেন না। আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের সবার উচিত নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি সুন্নতের উপর আমল করা। নি:সন্দেহে এতেই আমাদের মাঝে রয়েছে কল্যাণ।

সূত্র : মুসলিমস্টোরিজ.টপ

Comments

Popular posts from this blog

RM, SM, SE, RE দ্বারা ক্যাবলের কি বুঝানো হয়ে থাকে?

এস,এম,রফিক ঃ অনেকেই আমরা বলে থাকি আর এম এর মান কিভাবে বের করবো তারের সাইজ নির্ণয় করার জন্য। সত্যিকার অর্থে এটা কোন সঠিক নিয়ম নয় যদিও অনেক ফর্মুলা আছে। তারের সাইজ নির্ণয় নির্ভর করে ভোল্টেজ ড্রপ, দূরত্ব, লোড ইত্যাদির উপর যা আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। অনেকে ক্ষেত্রে ক্যাবলে rm, sm, se, re থাকে। এগুলো দ্বারা মূলত ক্যাবলের ইউনিট বুঝানো হয়। তারের সাইজ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে প্রথমে আমাদেরকে এগুলো জেনে রাখতে হবে। নিচের চিত্র দেখলে আশা করছি ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন।

ওয়াট কি, কিভাবে নির্ণয় করে?ওয়াট কিভাবে মাপে?

এস,এম,রফিক ঃ ওয়াট (Watt):  সহজ ভাবে বললে ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট। আমরা জানি যে কোন যন্ত্র তা ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক কিংবা ম্যাকানিকাল হোক না কেন চলবার জন্য শক্তির প্রয়োজন হয়। তেমনি ভাবে কোন যন্ত্র/লোড নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ করে কোন কাজ সম্পূর্ণ করতে পারে সে হিসাব কেই ওয়াট বলে। ওয়াট কিভাবে নির্ণয় করে? ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী DC এর ক্ষেত্রে- P = V×I = I 2 ×R = V 2 ÷R অর্থাৎ, P = V×I  অথবা P = I×R  অথবা P = V 2 /R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। ওয়াট বের করতে ওহম এর সূত্র (Ohm’s law) অনুযায়ী AC এর ক্ষেত্রে- P = V×I×P.F = I 2 ×R×P.F = (V 2 ×P.F)÷R অর্থাৎ, P = V×I×P.F   অথবা P = I 2 ×R×P.F   অথবা P = (V 2 ×P.F)÷R এই তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। এখানে, P  =  Power  যার একক হলো  Watt   I  =  Current  যার একক হলো  Ampere V  =  Voltage  যার একক হলো  Volt R  =  Resistance  যার একক হলো  Ohm...

ফিরে তাকাতে নেই

......শুধু পিছুটানেই পেছনে ফিরে তাকাতে নেই ........এতে করে অতিতের মায়াজাল সামনে এসে ভীর জমাবেই.......মায়া জড়ানো অতিতকে অনুধাবন করতে হয় গভির শুকাবহ নিরবতা দিয়ে৷  ..............   এস,এম, রফিক;----------